
প্রতারণার মাধ্যমে শতাধিক আলেম-উলামা পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার, অর্থ উদ্ধার এবং দ্রুত বিচার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আব্দুর রহমান ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, ইমাম-খতীবসহ দ্বীনদার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ‘হালাল ব্যবসা’র নামে অর্থ সংগ্রহ করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হবিগঞ্জ ও দিনাজপুরে ড্রাগন ফলের বাগানসহ বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২২ সাল থেকে তিনি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নেন। শুরুতে কিছু মুনাফা প্রদান করে আস্থা অর্জন করলেও ২০২৫ সাল থেকে লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরত দিতে টালবাহানা শুরু করেন।
তারা জানান, একাধিকবার সময় দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ না করে গত বছরের জুলাই মাসে পাওনাদারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং পরবর্তীতে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান আত্মগোপনে চলে যান। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা ও চেক ডিজঅনার মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং কয়েকটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।
মানববন্ধন থেকে ভুক্তভোগীরা দ্রুত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার, মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরতের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তারা বলেন, “এটি শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, আমাদের দ্বীনি আস্থার ওপর বড় ধরনের আঘাত।”
একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ঘটনাটি সত্যনিষ্ঠভাবে তুলে ধরলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হবে না।















