
স্টাফ রিপোর্টার, পিরোজপুর পৌরসভায় এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, একটি সংগঠিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দপ্তরের ফাইল ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রেখে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করছে, যা জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, কিছু ভালো কর্মকর্তা কর্মচারী থাকলেও তাদের কথা শুনছেন না পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো সমাধান না দিয়ে অকারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রাখা হয়।
সামান্য কাজ সম্পন্ন করতেও নানা অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয়। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হলে “অতিরিক্ত সুবিধা” দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এদিকে, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণ নিয়েও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দায়িত্বশীল পদে থেকেও তাদের মধ্যে সৌজন্যবোধ ও পেশাদারিত্বের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মানদণ্ডের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, বর্তমান প্রশাসক মাহমুদুল হাসান একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার নেতৃত্বে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নের আশা দেখছেন স্থানীয়রা। কিন্তু তার অগোচরে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এই ধরনের অনিয়ম চালিয়ে যাওয়ায় পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
সচেতন মহলের অভিমত, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তারা মনে করেন, প্রশাসকের সদিচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে পিরোজপুর পৌরসভা আবারও জনআস্থার প্রতীক হয়ে উঠতে পারবে।















