
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তল্লাশি কার্যক্রমে বাধা প্রদান বা তদন্তে অসহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। কর ফাঁকি রোধ, রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং তদন্ত কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে নতুন আইনি কাঠামোতে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, এনবিআরের অনুমোদিত কর্মকর্তারা তল্লাশি বা তদন্ত পরিচালনার সময় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করলে, তথ্য-উপাত্ত গোপন করলে, নথিপত্র ধ্বংস বা সরিয়ে ফেললে কিংবা তদন্তে অসহযোগিতা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যাবে।
এনবিআর সূত্র জানায়, কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ গোপনের অভিযোগ তদন্তের সময় অনেক ক্ষেত্রেই কর্মকর্তাদের নানাভাবে বাধার মুখে পড়তে হয়। এতে তদন্ত বিলম্বিত হয় এবং রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়। নতুন বিধান কার্যকর হলে এসব অনিয়ম কমবে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, কঠোর জরিমানার বিধান করদাতাদের আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করবে এবং রাজস্ব প্রশাসনের কার্যক্রমে জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে কর ফাঁকির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
তবে ব্যবসায়ী মহলের একাংশের মতে, নতুন আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে কোনো ধরনের হয়রানি না হয় এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে যথাযথ নজরদারি থাকে, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর শাস্তির পাশাপাশি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হলে নতুন বিধান কাঙ্ক্ষিত সুফল বয়ে আনবে।














