কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট পশ্চিম কমিশনারেটে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট পশ্চিম কমিশনারেটে কমিশনার কাজী ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তার বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ী মহল ও অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র জানায়, ০২ জুন ২০২৬ তারিখে তার দপ্তর থেকে নথি নং-২-২(৬৯)ইটি/সদর/বদলি/২০১২/পার্ট-১/২০২৩/(১-২০) মূলে একটি আদেশ জারি করা হয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই মরিয়ম কমিশনারের পক্ষে স্বাক্ষরিত ওই আদেশে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন সিপাইকে চেম্বার ডিউটিতে নিয়োজিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষিত অনেক তরুণ চাকরির অভাবে সিপাই পদে যোগদান করলেও তাদেরকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি তাদের মাধ্যমে ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালন ও আর্থিক লেনদেন করানো হবে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের দাবি, একজন রাজস্ব কর্মকর্তার জন্য চেম্বার ডিউটির বিধান নেই এবং একজন রাজস্ব কর্মকর্তা কখনো সিপাই পদমর্যাদায় চেম্বার ডিউটি করেন না। সাধারণত এ ধরনের দায়িত্ব অফিস সহায়ক পর্যায়ের কর্মচারীরা পালন করে থাকেন।

একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অভিযোগ করেন, পশ্চিম কমিশনারেটে রাজস্ব কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত চেম্বার ডিউটিতে নিয়োজিত করার জন্যও পূর্বে আদেশ জারি করা হয়নি। তাদের ভাষ্য, এমন আদেশ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও প্রচলিত বিধি-বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কয়েকজন কর্মকর্তা যুক্তি তুলে ধরে বলেন, যদি পদমর্যাদার ভিত্তিতে ডিউটি নির্ধারণ করা হয়, তাহলে একজন সহকারী কমিশনারের দায়িত্ব রাজস্ব কর্মকর্তা, কমিশনারের দায়িত্ব সহকারী কমিশনার, সদস্যের দায়িত্ব কমিশনার এবং চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সদস্য পর্যায়ের কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা। অথচ বাস্তবে ভিন্নধর্মী আদেশ জারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।