জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমানের সম্মান নিয়ে অপপ্রচার নয়, সত্য ও বিবেকের মূল্যায়ন চান বিভিন্ন মহল

নিজস্ব প্রতিবেদক: দৈনিক বর্তমান গোয়েন্দা ডায়েরি বিশেষ প্রতিবেদন পর্ব-২

“করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”— এই স্লোগান শুধু একটি বক্তব্য নয়; বরং দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও রাষ্ট্রের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমান, সিনিয়র সচিবকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে নেতিবাচক মন্তব্য, অপপ্রচার ও অযাচিত উল্লাসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল।

ঢাকার বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের মহল থেকে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, আবেগ ও পরিস্থিতি বিবেচনা না করে তা নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিতর্ক সৃষ্টি করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তাঁদের মতে, একজন মানুষের দীর্ঘ কর্মজীবন, সততা, নিষ্ঠা, অভিজ্ঞতা ও অবদানকে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্বীকার করা উচিত নয়। জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমান একজন সিনিয়র সচিব সে একজন ধর্মীয় মুসলমান ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি ভুল মানুষের হতে পারে আবার মানুষই ভুল সংশোধন করে এটাই বাস্তব চির সত্য

সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বক্তব্য ও নেতৃত্ব থেকে দেশের মানুষের অনেক কিছু শেখার রয়েছে। আবেগের মুহূর্তে কোনো বক্তব্যে ভুল বা অসংগতি হয়ে থাকলে সেটি যথাযথভাবে বিবেচনা করার দায়িত্ব রাষ্ট্র ও সরকারের। একজন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর রাজনৈতিক বক্তব্য বা আচরণের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট সরকারের ও কর্তৃপক্ষের। এ বিষয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিদ্রূপ কিংবা অপপ্রচার গ্রহণযোগ্য নয়।

তাঁরা আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইন, বিধিবিধান ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে কেউ নন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিধি মোতাবেক যে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়। প্রয়োজন হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী সরকার পরবর্তী ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারে। তবে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি কিংবা অমানবিক উল্লাস কোনো সভ্য সমাজের পরিচয় হতে পারে না।

ঢাকার বিভিন্ন মহলের দাবি, জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমানের কর্মজীবনের ইতিহাস হয়তো অনেকের জানা নেই আবার হয়তো অনেকের জানা রয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশ, জনগণ ও প্রশাসনের স্বার্থে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ও অবদান রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, তাঁর কাছে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ সুবিধা প্রত্যাশা করেও যারা তা পাননি, এমন কিছু ব্যক্তি বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি পরবর্তী পর্বে তুলে ধরা হবে কারা জড়িত রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচারণা চালিয়ে পরে ভালো সাজবার চেষ্টা রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি এবং প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

তাঁদের আহ্বান, জনাব মশিউর রহমানের মতো নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষের মতো মানুষ হওয়া আগে প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিহিংসা নয়, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধকে প্রাধান্য দিতে হবে। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কোনো বক্তব্যের সমালোচনাও হতে পারে; কিন্তু সমালোচনার নামে কিছু অসাধু চরিত্র হনন, অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ হওয়া উচিত।

তাঁরা প্রশ্ন রাখেন, একজন মানুষের দীর্ঘ কর্মজীবন, দায়িত্ববোধ, অভিজ্ঞতা ও অবদান কি একটি ঘটনাতেই শেষ হয়ে যায়? তাঁদের মতে, পদ সাময়িক হলেও কর্মের ইতিহাস দীর্ঘস্থায়ী। তাই প্রত্যেক মানুষের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তাঁর সামগ্রিক কর্ম, সততা ও অবদানের ভিত্তিতে।

সংশ্লিষ্ট মহল থেকে এসব কথা উঠে এসেছে জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমানের প্রতি সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা বিতর্ক থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রমাণ ও বিধিবিধান অনুসারে বিবেচিত হওয়া না হওয়া সরকারের দায়িত্ব। জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমানের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, বিদ্বেষ ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ হোক।

তাঁদের প্রত্যাশা, ব্যক্তি নয়, দেশ বড়; পদ নয়, কর্মই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। রাষ্ট্রের স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ এবং মানুষের সম্মান সবার আগে স্থান পাক।

অপপ্রচার নয়—সত্য, ন্যায় ও বিবেকের জয় হোক।

🇧🇩 সবার আগে বাংলাদেশ।