
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে বিদায় নিয়েছেন বিতর্কিত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তার বিদায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ দাবি করেছেন, তার সময়ে শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তার দায়িত্বকালীন সময়ে অনেক ব্যবসায়ী হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং বদলি ও পদোন্নতি নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের বিষয়।
বর্তমান নতুন চেয়ারম্যান জনাব আহসান হাবিবের প্রতি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ী মহল শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, অতীতে যারা বিভিন্ন কারণে ভুক্তভোগী হয়েছেন, চাকরি হারিয়েছেন, অবসরে যেতে বাধ্য হয়েছেন কিংবা কালো আইনের মাধ্যমে শাস্তির সম্মুখীন হয়েছেন, তাদের বিষয়গুলো নতুন করে মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা হবে।
একাধিক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী মহল নতুন চেয়ারম্যানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা আবেগঘন ভাষায় বলেন, “ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। একদিন সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। তখন সঙ্গে কোনো সম্পদ বা ক্ষমতা নেওয়া যায় না। তাই মানুষের জন্য ন্যায়বিচার ও সততার সঙ্গে কাজ করাই সবচেয়ে বড় বিষয়।
তিনি আরও বলেন, “আজ যারা অতীতে ভুক্তভোগী হয়েছেন, তারা আল্লাহর দরবারে বিচার প্রার্থনা করছেন। শেষ পর্যন্ত একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার কর্মের মাধ্যমেই মূল্যায়িত হবে।
এখন প্রশ্ন উঠেছে-রাষ্ট্রের জন্য আব্দুর রহমান খানের অবদান কী ছিল? এর উত্তর ইতিহাস, সরকারি রেকর্ড এবং জনগণের মূল্যায়নের ওপরই নির্ভর করবে।















