
চট্টগ্রাম বন্দরের কর্ম উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান কন্টেইনার জট নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধকল্পে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য বিভিন্ন পণ্য নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে নিলাম আয়োজন করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসে নিলামযোগ্য ২২০ কন্টেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত নিলামের বিশেষ আদেশ অনুসারে ই-অকশন-৪/২০২৬ ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, পেপার, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস, এসি পার্টস ইত্যাদি। এসকল পণ্যচালানের নিলামে কোন সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না।
অপরদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত নিলামের স্থায়ী আদেশ নং- ৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুসারে ই-অকশন-৫/২০২৬ এ ১৭ লটে ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি, লবণ ইত্যাদি।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জাবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নিলাম কার্যক্রম অধিকতর প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে পুরো মে মাস জুড়ে বিডারদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শন করে অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থা রয়েছে। আগ্রহী ক্রেতাগণ ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই- অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। জামানতের পে-অর্ডার ও আনুষাঙ্গিক কাগজপত্র দরপত্র বাক্সে দাখিল করতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাগণকে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।
আগামী ৯ জুন ই-অকশন-৪/২০২৬ এবং ১৪ মে ই-অকশন-৫/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিডারদেরকে ই-অকশন পোর্টাল ভিজিট করার জন্য অনুরোধ করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরকে কন্টেইনার জট মুক্ত করতে এ নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।















