স্বর্ণ চুরির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাক্ষীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল

বিমানবন্দরের কাস্টমস গুদাম থেকে সাড়ে ৫৫ কেজির বেশি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঘটনায় বক্তব্য দেওয়া এক প্রত্যক্ষদর্শীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর উত্তরখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। একই সঙ্গে চুরি হওয়া স্বর্ণের একটি অংশ বিক্রির নতুন তথ্যও সামনে এসেছে।

জানা গেছে, স্বর্ণ ভাগবাঁটোয়ারার প্রত্যক্ষদর্শী রত্না—যিনি আমেনার ভাই জাহিদুল ইসলামের প্রাক্তন স্ত্রী—অভিযোগ করেছেন, সংবাদে বক্তব্য দেওয়ার পর থেকেই তাকে ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তার দাবি, আমেনার বড় ভাই জহুরুলের স্ত্রী হেলেনা পারভীন এবং তার প্রাক্তন স্বামী জাহিদুল ইসলাম বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি রত্নার ভাইয়ের মোবাইল ফোনে কল ও খুদে বার্তার মাধ্যমেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রত্না নিজের এবং তার শিশু কন্যা জান্নাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উত্তরখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বক্তব্য দেওয়ার কারণেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, অনুসন্ধানে চুরি হওয়া স্বর্ণ বিক্রির বিষয়ে নতুন একটি তথ্যও সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আমেনার ভাগে পাওয়া স্বর্ণের কিছু অংশ ময়মনসিংহ শহরের একটি স্বর্ণের দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
বিমানবন্দর থেকে সাড়ে ৫৫ কেজির বেশি স্বর্ণ চুরির মতো আলোচিত ঘটনায় একের পর এক নতুন তথ্য সামনে এলেও এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি বা পদক্ষেপ দেখা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীকে হুমকির অভিযোগ এবং স্বর্ণ বিক্রির নতুন তথ্য এই বহুল আলোচিত ঘটনার রহস্য আরও গভীর করেছে।